সিন্ডিকেটে চাল বিক্রি না করতে একাট্টা মন্দির কর্তৃপক্ষ

আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসবে বিভিন্ন পূজামন্ডপ ও মন্দিরের অনুকূলে সরকারের বরাদ্দকৃত চাল নিয়ে ঈশ্বরদীতে আবারো তৎপর হয়ে উঠেছে একটি সিন্ডিকেট। সরকার প্রতি বছর দুর্গাপূজায় মন্দিরগুলোর অনুকূলে চাল বরাদ্দদান করেন। বিগত বছরগুলোতে এই চাল সিন্ডিকেট ছাড়া কারও উত্তোলনের উপায় থাকতো না। প্রতি টন চালের বাজার দর ২৮-৩০ হাজার টাকা থাকলেও মন্দির কমিটিকে ২০-২২ হাজার টাকা প্রদান করা হতো বলে জানিয়েছেন ঈশ্বরদীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপ কমিটির নেতারা। এদিকে ঈশ্বরদীর ওই সিন্ডিকেটের বিষয়টি ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করতে সংশিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রীর হুঁসিয়ারী আমলে না নিয়ে এবারো একটি সিন্ডিকেট এই চাল কেনার জন্য বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছেন। ভূমিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এক আওয়ামীলীগ নেতা জানান, এই বিষয়ে মন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে, আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। যারা সিন্ডিকেট করবে, তাদের এবার প্রতিহত করা হবে। তিনি আরও বলেন, যেসব মন্দির সিন্ডিকেটের কাছে চাল বিক্রি করবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভবিষ্যতে তাদের আর কোন সহযোগিতা করা হবে না।

ঈশ্বরদী মৌবাড়ি দূর্গা মন্দির ও ঠাকুরবাড়ি সত্য নারায়ণ বিগ্রহ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার কুন্ডু বলেন, মাননীয় ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এবার মন্দিরের জন্য বরাদ্দকৃত চাল কোন সিন্ডিকেটের নিকট বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। ঈশ্বরদী উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুনিল চক্রবর্তী জানান, প্রতি বছর এই চাল সিন্ডিকেট কম দামে কিনে থাকে এবার তা করতে দেওয়া হবেনা। ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকল্প বা¯Íবায়ন কর্মকর্তা বজলুর রশীদ জানান, এবারে ঈশ্বরদীর প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাজার দর হিসেবে ৫০০ কেজি চাল বিক্রি করে প্রতিটি মন্দিরের ২০-২৩ হাজার টাকা পাওয়ার কথা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

*