রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সঠিক পথেই আছে

0
214

পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণের বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে। সাহসিকতার সঙ্গে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ দেশের জনগণও এর সুফল পাবে। বললেন আন্তর্জাতিক পরমানু শক্তি সংস্থা (আএইএ)’র মহাপরিচালক ইউকিয়া আমানো।

পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আমানো আরো বলেন, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে নিরাপত্তা ও ঝুঁকি হ্রাসে বাংলাদেশে আইএইএ’র সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ইউকিয়া আমানো আরো বলেন, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে। রূপপুর পরমাণু প্রকল্পের নিরপত্তায় নেয়া পদক্ষেপে সন্তোষজন।

তিনি বলেন, আইএইএ বিশ্বাস করে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ সর্বাধুনিক এবং সেরা অভিজ্ঞতার অনুশীলন করছে। ২০১০ সালে আইএইএ’র দেয়া শর্ত পূরণে এ দেশটি সক্ষম হয়েছে।

আমানো বলেন, বর্তমানে পৃথিবীতে বিদ্যুৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যার একটি হলো নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট। আইএইএ’র মাইলস্টোন পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করে বাংলাদেশ নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট গ্রহণ করেছে।

এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ভিয়েনার রাষ্ট্রদূত আবু জাফর, বাংলাদেশ আনবিক শক্তি সংস্থার চেয়ারম্যান ড. নাইয়ুম চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসাইন, প্রকল্প পরিচালক ড. শওকত আকবর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রকল্পের নিরাপত্তা বিষয়ে সেনাবাহিনী প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের সঙ্গে এক যৌথ বৈঠকে মিলিত হন আইএইএ মহাপরিচালক।

পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণের বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে। সাহসিকতার সঙ্গে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ দেশের জনগণও এর সুফল পাবে। বললেন আন্তর্জাতিক পরমানু শক্তি সংস্থা (আএইএ)’র মহাপরিচালক ইউকিয়া আমানো। পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। আমানো আরো বলেন, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে নিরাপত্তা ও ঝুঁকি হ্রাসে বাংলাদেশে আইএইএ’র সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ইউকিয়া আমানো আরো বলেন, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে। রূপপুর পরমাণু প্রকল্পের নিরপত্তায় নেয়া পদক্ষেপে সন্তোষজন। তিনি বলেন, আইএইএ বিশ্বাস করে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ সর্বাধুনিক এবং সেরা অভিজ্ঞতার অনুশীলন করছে। ২০১০ সালে আইএইএ’র দেয়া শর্ত পূরণে এ দেশটি সক্ষম হয়েছে। আমানো বলেন, বর্তমানে পৃথিবীতে বিদ্যুৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যার একটি হলো নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট। আইএইএ’র মাইলস্টোন পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করে বাংলাদেশ নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট গ্রহণ করেছে। এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ভিয়েনার রাষ্ট্রদূত আবু জাফর, বাংলাদেশ আনবিক শক্তি সংস্থার চেয়ারম্যান ড. নাইয়ুম চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসাইন, প্রকল্প পরিচালক ড. শওকত আকবর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রকল্পের নিরাপত্তা বিষয়ে সেনাবাহিনী প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের সঙ্গে এক যৌথ বৈঠকে মিলিত হন আইএইএ মহাপরিচালক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

*