সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের অভয়ারণ্য এদেশের মাটিতে হবে না : ভূমিমন্ত্রী

0
ফাইল ফটো

ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এম.পি. বলেছেন, সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের অভয়ারণ্য বাংলার মাটিতে করতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

গতকাল শনিবার দুপুরে আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজার সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা কমপেক্স ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ভূমি মন্ত্রী শরীফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আইনের শাসনে বিশ^াসী। তিনি বলেন, এদেশ থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, খুন, চাঁদাবাজি, মাদক নির্মূল করা হবে। মন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই দিকেই এগুচ্ছেন। মন্ত্রী আটঘরিয়া উপজেলার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, ব্রীজ, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ, উপজেলার সকল সংযোগ সড়ক কাজ এ সরকার অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, গ্রামের পাকা রাস্তার কাজও চলছে। আটঘরিয়ায় ১০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আটঘরিয়ার প্রতি দুই কিলোমিটারের মধ্যে এক বা একাধিক প্রাইমারি স্কুল, চার কিলো মিটারের মধ্যে এক একাধিক উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রতিটি ইউনিয়নে ডিগ্রি কলেজ স্থাপন করেছে। মন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে হাজার বছরের ইতিহাসে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কবি, দার্শনিক ও শ্রেষ্ঠ জেনারেল, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ ছিল পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণের মর্যাদা দেওয়ায় ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ তলা ফাউন্ডেশনের ৩ তলা ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী।

আটঘরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম মোর্শেদ এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আউয়াল, আটঘরিয়া পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক আঃ গফুর, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহুরুল হক, মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম ফুটু, পাবনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মো. সেলিম, মুক্তিযুদ্ধকালীন কোম্পানীর ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।